ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্নোত্তর

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্নোত্তর: দল বা গোষ্ঠীর আচরণ ও কাজকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টাকে নেতৃত্ব বলে। এ দায়িত্ব পালনকারীই হলেন নেতা। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক তার অধীনস্থ কর্মীদের কাজকে লক্ষ্য অর্জনের দিকে পরিচালনা করেন। এজন্য ব্যবস্থাপককেও ক্ষেত্রবিশেষে নেতা বলা যায়। এভাবে, যিনি পরিবার চালান তাকে পরিবারের নেতা বলা যায়।

সুতরাং, নেতৃত্ব বলতে প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য সদস্য বা কর্মীদের পরিচালনা করার কৌশলকে বোঝায়। এর মাধ্যমে সদস্যরা তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য কাজে লাগিয়ে লক্ষ্য অর্জনে নিয়োজিত হন। তাছাড়া এর দ্বারা সদস্যদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করা হয়।


ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন-১. নেতৃত্ব বলতে কী বোঝা? 

উত্তর: দল বা গোষ্ঠীর আচরণ ও কাজকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নেওয়ার কৌশল হলো নেতৃত্ব।

এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হয়। আর এ দায়িত্ব পালন করেন নেতা। তার দেওয়া নেতৃত্ব অনুযায়ী কর্মীরা লক্ষ্য অর্জনে কাজে নিয়োজিত থাকে। এতে কর্মীদের মধ্যে দলীয় প্রচেষ্টা জোরদার হয় ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে। এক্ষেত্রে যোগ্য নেতৃত্ব কর্মীদের কাজের দক্ষতা বাড়ায় ও উৎসাহ তৈরি করে। তাই প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য অর্জনে যথাযথ নেতৃত্বের বিকল্প নেই।

প্রশ্ন-২. নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনা কি অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বিষয়। একজন নেতা একটি দল বা গোষ্ঠীকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রভাবিত করেন। এক্ষেত্রে নেতার পদমর্যাদাগত ক্ষমতার দরকার নেই। শুধু ব্যক্তিগত প্রভাব ও গুণ কাজে লাগিয়ে তিনি অন্যদের পরিচালিত করতে পারেন।

অন্যদিকে, একজন ব্যবস্থাপক নিজের পদমর্যাদা ও কর্তৃত্বের মাধ্যমে অন্যদের দিয়ে কৌশলে কাজ আদায় করে নিতে পারেন। সুতরাং, নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনা একই বিষয় নয়।

প্রশ্ন-৩, দলীয় প্রচেষ্টা জোরদারকরণে নেতৃত্ব প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: অধস্তনদের প্রভাবিত করে তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্যকে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে কাজে লাগানোর কৌশলকে নেতৃত্ব বলে। এ ব্যবস্থায় নেতার মূল কাজ হলো অধস্তনদের দলীয় প্রচেষ্টাকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে পরিচালনা করা। এটি নির্ভর করে নেতার গুণ ও কাজের দক্ষতার ওপর। এক্ষেত্রে নেতৃত্বের মান দূর্বল হলে কর্মীরা নেতাকে অযোগ্য মনে করে। এতে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ফলে দলবদ্ধ প্রচেষ্টা সফল হয় না। তাই, দলবদ্য প্রচেষ্টা সৃষ্টি ও জোরদার করার ক্ষেত্রে সুদক্ষ নেতৃত্ব অপরিহার্য।

প্রশ্ন-৪. নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো। 
অথবা, লক্ষ্য অর্জনে নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: অধস্তনদের প্রভাবিত করে তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্যকে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে কাজে লাগানোর কৌশলকে নেতৃত্ব বলে।

এর মাধ্যমে নেতা কর্মীদের প্রভাবিত করেন। ফলে দলীয়ভাবে কর্মীরা তাদের সব সামর্থ্য নির্ধারিত কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করে। এতে প্রতিষ্ঠানের সকল জনশক্তি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে পরিচালিত হয়ে থাকে। ফলে লক্ষ্য অর্জন অনেকটাই সহজ হয়। তাই লক্ষ্য অর্জনে নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন-৫. নেতৃত্বে কার্যকর যোগাযোগ অপরিহার্য কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: অধনস্তদের প্রভাবিত করে তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্যকে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে কাজে লাগানোর কৌশলকে নেতৃত্ব বলে।

অন্যদিকে, যোগাযোগ বলতে একজনের সাথে অন্যজনের তথ্যের আদান-প্রদানকে বোঝায়। নেতৃত্বে কার্যকর যোগাযোগ অপরিহার্য। কারণ, এর মাধ্যমে যথাযথ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য নেতার প্রয়োজন অধস্তন কর্মীদের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রক্ষা করা। তাদের সাথে কার্যকর যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা গেলে কাঁজে ভুল-ত্রুটি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এতে প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যায়। তাই, প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থেই নেতৃত্বে কার্যকর যোগাযোগ প্রয়োজন।

প্রশ্ন-৬. নেতৃত্বের ওপর আস্থাবোধ সৃষ্টি কেন গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: অধস্তনদের প্রভাবিত করে তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্যকে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে কাজে লাগানোর কৌশলকে নেতৃত্ব বলে। ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ নেতৃত্বের মাধ্যমে নেতা তার অধীনস্থ কর্মীদের পরিচালিত করে। কর্মীরাও তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ মানতে বাধ্য থাকে।

এক্ষেত্রে নেতা যেভাবে নির্দেশ দেন, কর্মীরা ঠিক সেভাবেই কাজ করে। কর্মীদের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা অর্জন করতে পারলেই তাদের দিয়ে কাজ করানো সম্ভব হয়। তাই নেতৃত্বের ওপর আস্থাবোধ সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন-৭. মনোবল বাড়াতে নেতৃত্বের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: একজন নেতার সফল নেতৃত্বের কারণে কর্মীদের মনোবল বাড়ে। নেতৃত্বের ফলে কর্মীরা দলবদ্ধ হয়ে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। আদর্শ নেতার নেতৃত্বের কারণে কর্মী বা অনুসারীরা নিজ থেকে লক্ষ্য অর্জনে নিয়োজিত থাকে। তারা তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ করে। এভাবে কর্মীরা দৃঢ় মনোবলের সাথে কাজ সম্পাদন বা প্রতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনে নিয়োজিত হয়।

প্রশ্ন-৮. ‘দ্বৈরাচারী নির্দেশনা স্বল্প মেয়াদে কার্যকর’- ব্যাখ্যা করো।
অথবা, দীর্ঘমেয়াদে স্বৈরাচারী নির্দেশনা কার্যকর হয় না কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: যে নির্দেশনা পদ্ধতিতে নির্বাহী সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত রেখে অধস্তনদের কাছ থেকে কাজ আদায়ে ভয়-ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করেন এবং কোনো বিষয়ে তাদের মতামত ও পরামর্শের গুরুত্ব দেন না, তাকে স্বৈরাচারী নির্দেশনা বলে।

এ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠানে কোনো কাজ দ্রুত করার জন্য কিংবা কর্মীরা স্বেচ্ছায় কাজ করতে আগ্রহী না হলে প্রয়োগ করা হয়। এতে ভালো ফল পাওয়া যায়। কারণ, এ পদ্ধতিতে কর্মীদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে কাজ আদায় করা যায়। কিন্তু কর্মীরা এ পদ্ধতিতে সবসময় কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। দীর্ঘমেয়াদে এ পদ্ধতি চালু থাকলে কর্মীদের প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এ পদ্ধতি স্বল্পমেয়াদের জন্যই কার্যকর।

প্রশ্ন-৯, গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বেশি কার্যকর কেন? ব্যাখ্যা করো।
অথবা, গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব উত্তম-কেন?

উত্তর: যে নেতৃত্বে নেতা অধস্তনদের সাথে আলাপ-আলোচনা ও পরামর্শ করে কাজ পরিচালনা করেন, তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে।

এক্ষেত্রে নেতা সব ক্ষমতা নিজের হাতে কেন্দ্রীভূত না রেখে প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব অধস্তনদের কাছে দিয়ে দেন। এছাড়া, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের সাথে আলাপ-আলোচনা করেন। এতে নেতার প্রতি তাদের ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়। ফলে এ ধরনের নেতৃত্বের প্রতি অধস্তনরা সন্তুষ্ট থাকে। এতে কর্মীদের কাজের প্রতি মনোবল বেড়ে যায় এবং তারা সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করে। তাই বলা হয়, গণতান্ত্রিক নেতৃত্বই উত্তম।

প্রশ্ন-১০. স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিপরীত নেতৃত্ব বলতে কী বোঝায়? 

উত্তর: স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিপরীত নেতৃত্বকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে।

এ নেতৃত্বে নেতা সদস্যদের সাথে আলোচনা ও পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেন। তিনি কর্মীদের মতামতের গুরুত্ব দেন। এছাড়া নেতা সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব বুক্ষীগত না রেখে কিছু কর্তৃত্ব কর্মীদের দেন। এতে কর্মীরা নিজেদেরকে গুরুত্বপূর্ণ ও যোগ্য ভেবে কাজ করে। আর নেতা কর্মীদের ভয় দেখিয়ে কাজ করান না। তাই এটি স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিপরীত রূপ।

প্রশ্ন-১১. লাগামহীন নেতৃত্বের অসুবিধাগুলো লেখো।

উত্তর: যে নেতৃত্বে নেতা কর্মীদের ওপর দায়িত্ব দিয়ে নিজে কর্মবিমুখ থাকেন এবং কর্মীদের ইচ্ছামতো কাজ করার সুযোগ দেন, তাকে লাগামহীন নেতৃত্ব বলে।

এ নেতৃত্বের প্রধান অসুবিধা হলো কর্মীদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া। এর ফলে কর্মীরা স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে। তাদের মধ্যে কাজে ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। এছাড়া, কর্মীরা অদক্ষ হলে এ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠানে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে না।

প্রশ্ন-১২. ‘লাগামহীন নেতৃত্ব কার্যকর হয় না’-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: যে নেতৃত্বে নেতা সুনির্দিষ্টভাবে আদেশ-নির্দেশ দেন না এবং কর্মীরা নিজেদের ইচ্ছামতো কাজ করে, তাকে লাগামহীন বা মুক্ত নেতৃত্ব বলে।

এ ধরনের নেতৃত্বে নেতা নিজের কাজ থেকে দূরে থাকেন। এক্ষেত্রে তিনি কর্মীদের ওপরই বেশি নির্ভর করেন। কোন কাজ কীভাবে করে প্রতিষ্ঠানকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যাবে, এ বিষয়ে তিনি তেমন ভাবেন না। ফলে কর্মীদেরই সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করতে হয়। এতে তারা বেশি স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে। ডাই, লাগামহীন নেতৃত্বের কার্যকারিতা থাকে না।

প্রশ্ন-১৩. আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কাঠামোর পদমর্যাদা থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে দেওয়া নেতৃত্ব হলো আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব।

এ নেতৃত্বে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তার অধস্তন কর্মীর নেতা হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ধরনের নেতা অধীনস্থদের পরিচালনা করেন। আর অধীনস্থ ঊর্ধ্বতনকে মানতে বাধ্য থাকে। যেমন: কোম্পানির চেয়ারম্যান, কলেজের অধ্যক্ষের দেওয়া নেতৃত্ব।

প্রশ্ন-১৪, অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্ব বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: সাংগঠনিক কাঠামোর বাইরে ও নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করেই ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে সৃষ্ট নেতৃত্বকে অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্ব বলে।

গোষ্ঠী, সম্প্রদায়, জন্মস্থান, রাজনৈতিক মতাদর্শ, ইচ্ছা-অনিচ্ছা প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের সম্পর্ক তৈরি হতে পারে। এ সম্পর্কের কারণে একে অন্যদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। ফলে এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্ব সৃষ্টি হয়। এ ধরনের নেতৃত্বের মাধ্যমেও কর্মীদের পরিচালিত করা যায়।

সহায়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যে কোনো সৎ, বুদ্ধিমান ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে সবাই সম্মান করতে পারে। প্রতিষ্ঠান যেকোনো প্রয়োজনে ঐ ব্যক্তির মতামতকে গুরুত্ব দিতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো সাংগঠনিক কর্তৃত্ব না থাকলেও ব্যক্তিটি অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্ব পেয়েছেন বলা যায়।

প্রশ্ন-১৫. ইতিবাচক নেতৃত্ব কখন ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: কর্মীরা যখন নিজ থেকেই নেতার নির্দেশনা মেনে চলেন, তখন ইতিবাচক নেতৃত্ব ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের নেতৃত্বে কর্মীদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরির মাধ্যমে কাজে মনোযোগ বাড়ানো হয়। এক্ষেত্রে কর্মীদের কাজের প্রশংসা করা হয় এবং স্বীকৃতি হিসেবে তাদের আর্থিক বা অনার্থিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়। তাই এ নেতৃত্ব অধীনস্থদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।


আরও দেখুন: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র ১ম অধ্যায় প্রশ্নোত্তর

আশাকরি আমাদের আজকের আর্টিকেল টি ভালো লেগেছে। কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে বা আরও কিছু জানার থাকলে কমেন্টে আমাদের জানাতে পারেন। ভালো থাকবেন সবাই, ধন্যবাদ।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *